আজ সমাজের যে, হাল হকিকত আর চালচিত্র তাতে শতকরা অন্ততঃ ৯০ জন লোক অথবা তার ও কিছু অধিক শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা চিন্তিত,এই জন্য যে, এই ক্ষয়িষ্ণু সমাজে আমার তথা আমাদের করণীয় কি ?? কেহ ভাবছে অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজের দোষত্রুটিটা কি একবার দেখেছি ? কেহ বা বলছে " আপনি আচরি ধর্ম অপরে শিখাও" । কেহ বলছে অন্যের দোষের
খানাতল্লাসি করার চাইতে চুপ থাকাই শ্রেয়ঃ । সহজ এবং সোজা সাপ্টা কথা হ'ল নিজে দোষমুক্ত যেহেতু কেহই নেই, সুতরাং অন্যকে উপদেশ দিবার মত কর্তব্য ও অধিকার কারুরই নেই ।
আজকের সমাজে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে নির্দোষ ব্যক্তি দৃষ্টিগোচরই হয় না । কেহ সুদখোর তো কেহ ঘুষখোর । কেহ নারী নির্যাতনকারী তো কেহ ব্যভিচারী । কেহ পকেটমার, আবার কেহ
লুঠেরা । এককথায় মানুষের মেলায় নির্মল চরিত্রের মানুষ মেলা দায় । তাহ'লে কে কাকে হিতোপদেশ দেবে ? ভাববার বিষয় ?
আসুন, এবারে মানুষ সম্পর্কে কিছু কথা আলোচনা করা যাক । মানুষ চিরকালই মানুষ । মানুষ মানেই দোষ এবং গুণের সমন্ময় । মানুষের চরিত্র কোনদিন শুধু গুণ আর গুণে গুনান্বিত ছিল না ।
আবার এমন ও কোনদিন আসবে না বা ছিল না যে, মানুষ শুধুমাত্র দোষের আকর । প্রতিটি মানুষের মাঝে কিছু আছে দোষ, যা তাকে করে লাঞ্ছিত ও অধঃপাদিত । আবার তারই মাঝে আছে কিছু গুণ যা তাকে দেয় স্বস্তি ও আনন্দ । শুধুই গুনের দ্বারা মানুষের চরিত্র গঠিত হলে মানুষ তো আর মানুষ থাকত না, সে হ'ত ফিরিস্তা । পক্ষান্তরে শুধুই দোষ থাকলে হ'ত অভিশপ্ত শয়তান ।
আদতে মানুষ ফিরিস্তা ও নয় শয়তান ও নয়, মানুষ মানুষই ।মানুষের মাঝে দোষ ও গুণ উভয়ই থাকবে প্রভেদ শুধু কম বেশির । পরিসংখ্যান নিলে দেখা যাবে কারো মাঝে দোষ বেশী গুণ কম,
আবার কারো মাঝে গুণ বেশী দোষ কম,কারো মাঝে সমান সমান । যে সমস্ত ব্যক্তির মাঝে গুণের সমাহার বেশী আমরা তাদেরকে সৎ ব্যক্তি বলেই চিহ্নিত করে থাকি, পক্ষান্তরে যার মাঝে দোষ
বেশী তাদেরকে অসৎ ব্যক্তিরুপেই পরিগণিত করি । হ্যাঁ,তবে নিজের মাঝে মূল্যায়ণ ক্ষমতার অভাবহেতু কখন ভালকে মন্দ এবং মন্দকে ভাল বলে, ভুল ও করি । পরিসংখ্যানে দোষ-গুণের সমাহার যাই হোক না কেন, সবার মাঝে একই ত্রুটি পরিলক্ষিত হয় না । ফলতঃ যার মধ্যে যে দোষ নাই সে অন্যকে নিজের মাঝে ভিন্নধর্মী দোষ থাকা সত্বে ও হিতোপদেশ দিয়া থাকে । কখন ও সখন ও একই দোষ অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ার কারনে, সে বিষয়ে ও কেহ কেহ হিতোপদেশ দিয়ে থাকে । এর যে একটা যুক্তিগ্রাহ্য কারন আছে তা বলাই বাহুল্য ।
উল্লেখ্য যে,ব্যক্তিমাত্রেই স্বার্থনামক দোষ বা গুণের কবলিত । তাই নিজ স্বার্থেই মানুষ একে অপরকে হিতোপদেশ দেয় । উদাহরণতঃ মদখোর মদের নেশায় বুঁদ হ'য়ে থাকলে ও নিজে চায়না যে গাড়ির ড্রাইভার মদ খেয়ে তার গাড়ি চালাক । নিজে ঘুষখোর হ'লে কি হবে, অন্যে যেন দুধে জল না মিশ্রিত ক'রে, কারণ দুধ কিনতে গিয়ে তাকেই সে দুধ কিনতে হ'তে পারে ।এতো গেল একটা দিক । অন্য পক্ষে নিজেকে এবং অন্যকে হিতোপদেশ না দেওয়া হ'ল পুরোপুরি শয়তানের ধোঁকা । শয়তান চায় না যে, এই ধুলির ধরায় মানুষেরা সুখে শান্তিতে বসবাস করুক । বরং চরিত্রে এবং পরিবেশে ধুলাবালি আর নোংরায় ধুসরিত হ'য়ে থাকুক । কেহ কাউকে যেন ভালকথা না বলে । পাছে ভালকথার প্রভাবে কোন বদ সৎ হ'য়ে গেলেই তো বিপদ। তাই এত যুক্তির বিস্তার । আদতে ভালর বিপক্ষে যত যুক্তি আমরা দেখি সবই শয়তান বা মানবরুপী শয়তানের কুযুক্তি কিংবা প্রবঞ্চনা ।
একটি বাস্তব উদাহরণ সহযোগে বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করি । মনে করি আমার কাছে ৫ টাকা মুদ্রামানের দুটি মুদ্রা আছে । অসতর্কতার কারনে একটি মুদ্রা হারাইয়া গেলে, রক্ষিত মুদ্রাটি কি কেহ ডাষ্টবিন কিংবা পথিপার্শ্বের নর্দমায় নিক্ষেপ করিবে । কস্মিনকালে ও কোন বুদ্ধিমানের দ্বারা এ কাজ হইবেনা । বুদ্ধিমান জানে যে, দুইটি মুদ্রার মূল্যমান দশ টাকা ছিল । প্রয়োজনে সে দশটাকা মূল্যের দ্রব্য খরিদ করিতে পারিত বা দশটাকা মূল্যের যে কোন সুবিধা গ্রহন করিতে পারিত । যেহেতু, দুর্বিপাকে একটি মুদ্রা হারিয়া গিয়াছে অর্থাৎ পাঁচ টাকা ক্ষতি হয়েছে তো রক্ষিত পাঁচ টাকাতে অন্যান্য কার্যাদি চালিয়ে নিতে হবে । এই কথাগুলি বলার উদ্দেশ্য হ'ল, আমরা মানুষ সমাজবদ্ধজীব । যেহেতু, সমাজ থেকে আমি বহুবিধ সুবিধা অর্জন ক'রে থাকি
তাই সমাজের প্রতি আমার মাত্র দুটি দায়িত্ব ও নিজের জন্য দুটি কর্ত্তব্য আছে । (১) নিজে সৎভাবে জীবনযাপন ও সৎ্কাজ করা । (২) অন্যকে সৎভাবে জীবনযাপনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা বা হিতোপদেশ দেওয়া । মনে রাখা কর্ত্তব্য যে, উভয়টিই আমার নিজের উপকারার্থে । যেমনভাবে আমার সঞ্চিত পাঁচটাকা মুদ্রামানের মুদ্রাদুটির উপযোগীতা ছিল । সুতরাং নিজে সৎভাবে জীবনযাপন ও সৎ্কাজ করতে ব্যর্থ হ'লে অন্যকে সৎভাবে জীবনযাপনের হিতোপদেশ দেওয়া, পরিত্যাগ করা উচিৎ নয় ৷ আপনি নিজেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন এবং পছন্দনীয় বিষয় গ্রহন করুন ।
আমি যদি একজন মুসলিম হই, তাহ'লে কোরআন পাকের সুরা আল-ইমরানের ১০৪ নং আয়াতে দেখতে পাই ।
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ ۚ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ﴿١٠٤﴾ অর্থ তোমাদের মাঝে একটি দল হওয়া উচিত যারা মানুষকে সৎকাজের প্রতি আহবান জানাবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে এবং তারাই হবে সফলকাম ।
উল্লিখিত আয়াতটির পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, এখানে আল্লাহ রব্বুল আলামিন মুসলিম উম্মাকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন অন্যকে হিতোপদেশ প্রদান করে । এখানে কোন ক্রমেই বিধৃত হয়নি,
একমাত্র ১০০ ভাগ নির্দোষ ব্যক্তিরাই মাত্র অন্যকে সদুপদেশ প্রদান করবে এবং অন্যায় কাজে বাধা দিতে পারবে । সুতরাং নিজের চরিত্রে কিছু বদগুণ থাকা সত্বে ও অন্যকে হিতোপদেশ দেওয়া ধর্ম,
নীতিবোধ,ন্যায় এবং সমাজ ও সময়ের দাবী । আমার কর্ত্তব্য । আমার প্রতি দায়িত্ব । অন্যে যদি আমার হিতোপদেশের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে বা সেমতে কার্য করতে অক্ষম হয় সে বিফলতা আমার নয় বরং তারই যে হিতোপদেশ মত কাজ করতে পারল না ।
খানাতল্লাসি করার চাইতে চুপ থাকাই শ্রেয়ঃ । সহজ এবং সোজা সাপ্টা কথা হ'ল নিজে দোষমুক্ত যেহেতু কেহই নেই, সুতরাং অন্যকে উপদেশ দিবার মত কর্তব্য ও অধিকার কারুরই নেই ।
আজকের সমাজে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে নির্দোষ ব্যক্তি দৃষ্টিগোচরই হয় না । কেহ সুদখোর তো কেহ ঘুষখোর । কেহ নারী নির্যাতনকারী তো কেহ ব্যভিচারী । কেহ পকেটমার, আবার কেহ
লুঠেরা । এককথায় মানুষের মেলায় নির্মল চরিত্রের মানুষ মেলা দায় । তাহ'লে কে কাকে হিতোপদেশ দেবে ? ভাববার বিষয় ?
আসুন, এবারে মানুষ সম্পর্কে কিছু কথা আলোচনা করা যাক । মানুষ চিরকালই মানুষ । মানুষ মানেই দোষ এবং গুণের সমন্ময় । মানুষের চরিত্র কোনদিন শুধু গুণ আর গুণে গুনান্বিত ছিল না ।
আবার এমন ও কোনদিন আসবে না বা ছিল না যে, মানুষ শুধুমাত্র দোষের আকর । প্রতিটি মানুষের মাঝে কিছু আছে দোষ, যা তাকে করে লাঞ্ছিত ও অধঃপাদিত । আবার তারই মাঝে আছে কিছু গুণ যা তাকে দেয় স্বস্তি ও আনন্দ । শুধুই গুনের দ্বারা মানুষের চরিত্র গঠিত হলে মানুষ তো আর মানুষ থাকত না, সে হ'ত ফিরিস্তা । পক্ষান্তরে শুধুই দোষ থাকলে হ'ত অভিশপ্ত শয়তান ।
আদতে মানুষ ফিরিস্তা ও নয় শয়তান ও নয়, মানুষ মানুষই ।মানুষের মাঝে দোষ ও গুণ উভয়ই থাকবে প্রভেদ শুধু কম বেশির । পরিসংখ্যান নিলে দেখা যাবে কারো মাঝে দোষ বেশী গুণ কম,
আবার কারো মাঝে গুণ বেশী দোষ কম,কারো মাঝে সমান সমান । যে সমস্ত ব্যক্তির মাঝে গুণের সমাহার বেশী আমরা তাদেরকে সৎ ব্যক্তি বলেই চিহ্নিত করে থাকি, পক্ষান্তরে যার মাঝে দোষ
বেশী তাদেরকে অসৎ ব্যক্তিরুপেই পরিগণিত করি । হ্যাঁ,তবে নিজের মাঝে মূল্যায়ণ ক্ষমতার অভাবহেতু কখন ভালকে মন্দ এবং মন্দকে ভাল বলে, ভুল ও করি । পরিসংখ্যানে দোষ-গুণের সমাহার যাই হোক না কেন, সবার মাঝে একই ত্রুটি পরিলক্ষিত হয় না । ফলতঃ যার মধ্যে যে দোষ নাই সে অন্যকে নিজের মাঝে ভিন্নধর্মী দোষ থাকা সত্বে ও হিতোপদেশ দিয়া থাকে । কখন ও সখন ও একই দোষ অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ার কারনে, সে বিষয়ে ও কেহ কেহ হিতোপদেশ দিয়ে থাকে । এর যে একটা যুক্তিগ্রাহ্য কারন আছে তা বলাই বাহুল্য ।
উল্লেখ্য যে,ব্যক্তিমাত্রেই স্বার্থনামক দোষ বা গুণের কবলিত । তাই নিজ স্বার্থেই মানুষ একে অপরকে হিতোপদেশ দেয় । উদাহরণতঃ মদখোর মদের নেশায় বুঁদ হ'য়ে থাকলে ও নিজে চায়না যে গাড়ির ড্রাইভার মদ খেয়ে তার গাড়ি চালাক । নিজে ঘুষখোর হ'লে কি হবে, অন্যে যেন দুধে জল না মিশ্রিত ক'রে, কারণ দুধ কিনতে গিয়ে তাকেই সে দুধ কিনতে হ'তে পারে ।এতো গেল একটা দিক । অন্য পক্ষে নিজেকে এবং অন্যকে হিতোপদেশ না দেওয়া হ'ল পুরোপুরি শয়তানের ধোঁকা । শয়তান চায় না যে, এই ধুলির ধরায় মানুষেরা সুখে শান্তিতে বসবাস করুক । বরং চরিত্রে এবং পরিবেশে ধুলাবালি আর নোংরায় ধুসরিত হ'য়ে থাকুক । কেহ কাউকে যেন ভালকথা না বলে । পাছে ভালকথার প্রভাবে কোন বদ সৎ হ'য়ে গেলেই তো বিপদ। তাই এত যুক্তির বিস্তার । আদতে ভালর বিপক্ষে যত যুক্তি আমরা দেখি সবই শয়তান বা মানবরুপী শয়তানের কুযুক্তি কিংবা প্রবঞ্চনা ।
একটি বাস্তব উদাহরণ সহযোগে বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করি । মনে করি আমার কাছে ৫ টাকা মুদ্রামানের দুটি মুদ্রা আছে । অসতর্কতার কারনে একটি মুদ্রা হারাইয়া গেলে, রক্ষিত মুদ্রাটি কি কেহ ডাষ্টবিন কিংবা পথিপার্শ্বের নর্দমায় নিক্ষেপ করিবে । কস্মিনকালে ও কোন বুদ্ধিমানের দ্বারা এ কাজ হইবেনা । বুদ্ধিমান জানে যে, দুইটি মুদ্রার মূল্যমান দশ টাকা ছিল । প্রয়োজনে সে দশটাকা মূল্যের দ্রব্য খরিদ করিতে পারিত বা দশটাকা মূল্যের যে কোন সুবিধা গ্রহন করিতে পারিত । যেহেতু, দুর্বিপাকে একটি মুদ্রা হারিয়া গিয়াছে অর্থাৎ পাঁচ টাকা ক্ষতি হয়েছে তো রক্ষিত পাঁচ টাকাতে অন্যান্য কার্যাদি চালিয়ে নিতে হবে । এই কথাগুলি বলার উদ্দেশ্য হ'ল, আমরা মানুষ সমাজবদ্ধজীব । যেহেতু, সমাজ থেকে আমি বহুবিধ সুবিধা অর্জন ক'রে থাকি
তাই সমাজের প্রতি আমার মাত্র দুটি দায়িত্ব ও নিজের জন্য দুটি কর্ত্তব্য আছে । (১) নিজে সৎভাবে জীবনযাপন ও সৎ্কাজ করা । (২) অন্যকে সৎভাবে জীবনযাপনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা বা হিতোপদেশ দেওয়া । মনে রাখা কর্ত্তব্য যে, উভয়টিই আমার নিজের উপকারার্থে । যেমনভাবে আমার সঞ্চিত পাঁচটাকা মুদ্রামানের মুদ্রাদুটির উপযোগীতা ছিল । সুতরাং নিজে সৎভাবে জীবনযাপন ও সৎ্কাজ করতে ব্যর্থ হ'লে অন্যকে সৎভাবে জীবনযাপনের হিতোপদেশ দেওয়া, পরিত্যাগ করা উচিৎ নয় ৷ আপনি নিজেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন এবং পছন্দনীয় বিষয় গ্রহন করুন ।
আমি যদি একজন মুসলিম হই, তাহ'লে কোরআন পাকের সুরা আল-ইমরানের ১০৪ নং আয়াতে দেখতে পাই ।
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ ۚ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ﴿١٠٤﴾ অর্থ তোমাদের মাঝে একটি দল হওয়া উচিত যারা মানুষকে সৎকাজের প্রতি আহবান জানাবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে এবং তারাই হবে সফলকাম ।
উল্লিখিত আয়াতটির পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, এখানে আল্লাহ রব্বুল আলামিন মুসলিম উম্মাকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন অন্যকে হিতোপদেশ প্রদান করে । এখানে কোন ক্রমেই বিধৃত হয়নি,
একমাত্র ১০০ ভাগ নির্দোষ ব্যক্তিরাই মাত্র অন্যকে সদুপদেশ প্রদান করবে এবং অন্যায় কাজে বাধা দিতে পারবে । সুতরাং নিজের চরিত্রে কিছু বদগুণ থাকা সত্বে ও অন্যকে হিতোপদেশ দেওয়া ধর্ম,
নীতিবোধ,ন্যায় এবং সমাজ ও সময়ের দাবী । আমার কর্ত্তব্য । আমার প্রতি দায়িত্ব । অন্যে যদি আমার হিতোপদেশের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে বা সেমতে কার্য করতে অক্ষম হয় সে বিফলতা আমার নয় বরং তারই যে হিতোপদেশ মত কাজ করতে পারল না ।
No comments:
Post a Comment