বর্তমান জমানায় বিজ্ঞান,প্রযুক্তি ও দর্শনশাস্ত্রের প্রভূত উন্নতির সাথে সাথে মানুষের মনন ও চিন্তন প্রক্রিয়াগুলির ও ক্রমোন্নতির পথ বেয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে চলেছে । অতীতকালের সকল ভাবনা-চিন্তা ও রুচিবোধ কার্যতঃ আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপযোগ্য কি না এ বিষয়ে অনেকেই দ্বিধা ও দ্বন্দগ্রস্ত । মুক্ত চিন্তার অনেক দাবীদারগণ বলেন, " যে যুগে আজকের মত যুক্তিবাদী মানুষ এবং উন্নতমানের যন্ত্রপাতি ছিল না, সে যুগের উন্নত সমাজব্যবস্থার নাম ধর্ম । ইসলাম ও তার ব্যতিক্রম নয় ।" বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যাগুরু মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেকেই আজ এই বিকারে বিকারগ্রস্ত । বিকারগ্রস্ত মানসিকতার শিকার । জরা ও রোগগ্রস্ত মানসিকতা আজ জন্ম দিয়েছে নিজ ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান বিষয়ে অনেক নতুন নতুন সমস্যার । ইসলামী মৌলিক ইবাদতের তৃতীয় বুনিয়াদ রোজার শুরু এবং শেষ নিয়ে বিভ্রান্তির শেষ নেই । বিভ্রান্তিকর এই জটিল পরিস্থিতি মাঝে মাঝেই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে । অস্বস্তির ও শেষ থাকে না আল্লাহ ও রসুল (দঃ)প্রেমী এবং ইসলামী মৌলিক বিধান পালনকারী ভাই ও বোনেদের । কি যে অস্বস্তিকর এবং বিভ্রান্তি তা ভুক্তভোগী ব্যতিরেকে আর কেউ বোঝে না ।
প্রকৃ্ত কারণ অনুসন্ধান ক'রে জানা গেছে যে, ইসলামী বাস্তব চেতনা ও আদর্শ আজ যন্ত্র নির্ভর । অনুধ্যান, আদর্শ সকল অধুনা যন্ত্র গোঁড়ামিতে পর্যবসিত । হকপন্থি ওলামাদের একাংশ আজ হীনমন্যতার শিকার । জনগনের চাহিদার কাছে আজ তারা পরাস্ত । পক্ষান্তরে ইসলামের বিরোধী শক্তির কাছে আত্মসমর্পন । সাধারণ মানুষ, সাধারণ শিক্ষিত তৎসঙ্গে দূর্ভাগ্য হ'লে কিছু আলেম এর মোহজালে আবদ্ধ । তারা বলতেছেন "অজ্ঞতা যুগের সকল নিয়মনীতি আঁকড়ে ধ'রে থাকার চেয়ে যুগোপযোগী চাহিদা এবং সুযোগসুবিধা গ্রহন ক'রে মুসলমান এবং আধুনিকতার মধ্যে চলনসই ও মানানসই একটা বোঝাপড়া করা আমাদের কর্ত্তব্য ।"
রোজার শুরু এবং শেষ নিয়ে যে বিতর্কের ঝড় ওঠে এটা মানসিকতারই প্রতিফলন । ঝড়ের মূল কারণ হ'ল স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখা ও টিভি, মোবাইল ফো্ন,ওয়ারলেস ইত্যাদির সংবাদে ঈদ উদযাপন করা । সত্যি কথা বলতে কি, যখন এই ঝড় চলতে থাকে তখন বহু মুসলিম পল্লীতে এত অস্থিরতা প্রকাশ পায় যে কখন কখন কথা কাটাকাটির স্তর গিয়ে ঠেকে মাথা ফাটাফাটিতে । সঠিক শরিয়তী নির্দেশ বা বৈজ্ঞানিক যুক্তিতে করবার অবকাশ পান না । নিজের মনগড়া যুক্তি আর জেদ, দখল ক'রে নেয় সকল ন্যায়নীতি আর মূল্যবোধ ।
এই ভয়াবহ পরিণতি নিরসনের হেতু ইসলাম যাদের প্রাণ প্রিয় তাঁদের আহবান জানাই অতীতের দিনগুলিতে ফেরার । যন্ত্র ব্যবহার করুন, আপনার প্রয়োজন ও চাহিদা পূরনের নিমিত্ত । ইসলামের কাজে ব্যবহার করতে গিয়ে সুন্নত মেরে বিদায়াত উপহার দিয়ে নয়। যান্ত্রিক যুগে যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য, তাই বলে কি খানা,দানা,প্রস্রাব, পায়খানা সবই যন্ত্রে ভাল নাকি ?? ইসলামী বিধান ত্যাগ করা নিন্দনীয়, ভ্রুকুটি ক'রে (হিলা) পরিবর্তন পরিবর্ধন কিন্তু প্রশংসনীয় নয় ।
প্রকৃ্ত কারণ অনুসন্ধান ক'রে জানা গেছে যে, ইসলামী বাস্তব চেতনা ও আদর্শ আজ যন্ত্র নির্ভর । অনুধ্যান, আদর্শ সকল অধুনা যন্ত্র গোঁড়ামিতে পর্যবসিত । হকপন্থি ওলামাদের একাংশ আজ হীনমন্যতার শিকার । জনগনের চাহিদার কাছে আজ তারা পরাস্ত । পক্ষান্তরে ইসলামের বিরোধী শক্তির কাছে আত্মসমর্পন । সাধারণ মানুষ, সাধারণ শিক্ষিত তৎসঙ্গে দূর্ভাগ্য হ'লে কিছু আলেম এর মোহজালে আবদ্ধ । তারা বলতেছেন "অজ্ঞতা যুগের সকল নিয়মনীতি আঁকড়ে ধ'রে থাকার চেয়ে যুগোপযোগী চাহিদা এবং সুযোগসুবিধা গ্রহন ক'রে মুসলমান এবং আধুনিকতার মধ্যে চলনসই ও মানানসই একটা বোঝাপড়া করা আমাদের কর্ত্তব্য ।"
রোজার শুরু এবং শেষ নিয়ে যে বিতর্কের ঝড় ওঠে এটা মানসিকতারই প্রতিফলন । ঝড়ের মূল কারণ হ'ল স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখা ও টিভি, মোবাইল ফো্ন,ওয়ারলেস ইত্যাদির সংবাদে ঈদ উদযাপন করা । সত্যি কথা বলতে কি, যখন এই ঝড় চলতে থাকে তখন বহু মুসলিম পল্লীতে এত অস্থিরতা প্রকাশ পায় যে কখন কখন কথা কাটাকাটির স্তর গিয়ে ঠেকে মাথা ফাটাফাটিতে । সঠিক শরিয়তী নির্দেশ বা বৈজ্ঞানিক যুক্তিতে করবার অবকাশ পান না । নিজের মনগড়া যুক্তি আর জেদ, দখল ক'রে নেয় সকল ন্যায়নীতি আর মূল্যবোধ ।
এই ভয়াবহ পরিণতি নিরসনের হেতু ইসলাম যাদের প্রাণ প্রিয় তাঁদের আহবান জানাই অতীতের দিনগুলিতে ফেরার । যন্ত্র ব্যবহার করুন, আপনার প্রয়োজন ও চাহিদা পূরনের নিমিত্ত । ইসলামের কাজে ব্যবহার করতে গিয়ে সুন্নত মেরে বিদায়াত উপহার দিয়ে নয়। যান্ত্রিক যুগে যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য, তাই বলে কি খানা,দানা,প্রস্রাব, পায়খানা সবই যন্ত্রে ভাল নাকি ?? ইসলামী বিধান ত্যাগ করা নিন্দনীয়, ভ্রুকুটি ক'রে (হিলা) পরিবর্তন পরিবর্ধন কিন্তু প্রশংসনীয় নয় ।
No comments:
Post a Comment